সমাজসেবা অধিদফতর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা  এবং দরিদ্র, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবন্ধী শিশুকিশোরদের শিক্ষা লাভের সহায়তা হিসেবে ২০০৭-০৮ অর্থ বছর থেকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে শুরুতে ১২ হাজার ২০৯ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় মাসিক উপবৃত্তির হার প্রাথমিক স্তরে ৩০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৪৫০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ টাকা এবং উচ্চতর স্তরে ১০০০ টাকা।

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের সময় অর্থাৎ ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে উপকারভোগীর সংখ্যা ছিল ১৩ হাজর ৪১ জন এবং বার্ষিক বরাদ্দ ছিল ৬.০০ কোটি টাকা। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে উপকারভোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ১৫০ জনে এবং  বার্ষিক বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে ৮ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।

 

২০১৮-১৯ অর্থ বছর:

২০১৮-১৯ অর্থ বছরে উপকারভোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার  জনে এবং বার্ষিক বরাদ্দ ৮০ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়। বর্তমানে প্রাথমিক স্তরে ৭০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৭৫০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৮৫০ টাকা এবং উচ্চতর স্তরে ১২০০ টাকা  প্রদান করা হচ্ছে।  বিগত  বছরে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি  বিতরণে প্রায় শতভাগ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।  

 

সেবার নাম:

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি

 

সেবা প্রদানকারী অফিসের নাম:

উপজেলা সমাজসেবা অফিস (সকল)

 

দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী:

১. উপজেলা / শহর সমাজসেবা অফিসার

২. ফিল্ড সুপারভাইজার

৩. ইউনিয়ন /পৌর সমাজকর্মী

৪. কারিগরি প্রশিক্ষক

 

সেবা প্রদান পদ্ধতি (সংক্ষেপে):

জরিপভুক্ত শনাক্তকৃত ও সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক নিবন্ধিত এবং সরকার কর্তৃকস্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী যাদের পারিবারিক বার্ষিক গড় আয় সর্বোচ্চ ৩৬,০০০/-  তারা  নির্ধারিত ফরমে উপজেলা / শহর সমাজসেবা অফিসার বরাবরে আবেদন করতে হয়। নীতিমালা অনুসারে যাচাই বাছাই করার পর প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তিভোগী নির্বাচন করা হয় । অত:পর নির্বাচিত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা অভিভাবককে অবহিত করে বৈধ অভিভাবকের নামে উপবৃত্তির অর্থ উত্তোলনের ব্যাংক হিসাব খোলা হয়। উপবৃত্তির টাকা বিতরণের স্থান, তারিখ সময় নির্ধারণ করে  উপবৃত্তি প্রাপ্ত প্রতিবন্ধী শিক্ষর্থী তার পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবহিত করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপবৃত্তি বিতরণ করা হয়।

 

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময়:

নতুন বরাদ্দ প্রাপ্তির ০৩ মাসের মধ্যে ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয় ।

নিয়মিত ভাতাভোগীর হিসাবে ০৭ দিনের মধ্যে ভাতা স্থানান্তর করা হয় ।

 

প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/আনুষঙ্গিক খরচ:

১০/- টাকা দিয়ে নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে হয়

 

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি/ নীতিমালা:

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০১৩

 

বছরভিত্তিক প্রতিবন্ধী উপবৃত্তির বাজেট ও উপকারভোগীর সংখ্যা

অর্থবছর বাজেট (কোটি টাকায়) উপকারভোগীর সংখ্যা
২০০৭-০৮ ৫.০০ ১২২০৯
২০০৮-০৯ ৬.০০ ১৩০৪১
২০০৯-১০ ৮.০০ ১৭১৫০
২০১০-১১ ৮.৮০ ১৮৬২০
২০১১-১২ ৮.৮০ ১৮৬২০
২০১২-১৩ ৮.৮০ ১৮৬২০
২০১৩-১৪ ৯.৭০ ২০৪৮২
২০১৪-১৫ ২৫.৬০ ৫০০০০
২০১৫-১৬ ৪১.৮৮ ৬০০০০
২০১৬-১৭ ৪৭.৮৮ ৭০০০০
২০১৭-১৮ ৫৪.৫০ ৮০০০০
২০১৮-১৯ ৮০.৩৭ ৯০০০০

 

নির্দিষ্টসেবা পেতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

১. চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ / উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সংশ্লিষ্ট উপজেলা)

২. উপ-পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় (সংশ্লিষ্ট জেলা)

৩. চেয়ারম্যান, পার্বত্য জেলা / জেলা প্রশাসক (সংশ্লিষ্ট জেলা)

৪. পরিচালক (কার্যক্রম), সমাজসেবা অধিদফতর

 

প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি

Share with :

Facebook Facebook